Skip to main content
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার · ৩ নভেম্বর ২০২৬
আনুপূর্বী বাংলা
✦ অতীত ও অনাগত-এর সন্ধিক্ষণে ✦
আসন্ন অনুষ্ঠান 22 Nov 2026
Exploring Enduring Colonialism: Classical Presences and Modern Absences in Indian Philosophy
A Raghuramraju
লেখা পাঠান
বোধিসত্ত্বচর্যায় প্রবেশের মার্গদর্শক তিন গ্রন্থ
নির্বাচিত সৃষ্টি ধারাবাহিক 15 মিনিট পাঠ
01 / 05

বোধিসত্ত্বচর্যায় প্রবেশের মার্গদর্শক তিন গ্রন্থ

মহাবস্তু অবদান, অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা ও নাগার্জুনের রত্নাবলীর পর্যালোচনায় বোধিসত্ত্বচর্যার ক্রমবিকাশ, বোধিচিত্তের তাৎপর্য, প্রজ্ঞা ও মহাকরুণার সমন্বয় এবং মহাযানের দার্শনিক ভিত্তির অনুসন্ধান।

মহাসাঙ্ঘিক থেকে মহাযান
নির্বাচিত সৃষ্টি ধারাবাহিক 11 মিনিট পাঠ
02 / 05

মহাসাঙ্ঘিক থেকে মহাযান

মহাসাঙ্ঘিক-মহাযান দর্শনে বোধিসত্ত্বের করুণা, সংসার-নির্বাণের অদ্বয়তত্ত্ব ও বুদ্ধের লোকোত্তর স্বরূপ বৌদ্ধ ধর্মকে গভীরতর দৃষ্টিকোণ থেকে উপলব্ধির সুযোগ দিয়েছিল। মহাযান ভিন্ন মত নয়, স্থবির নিকায়ের বৈরীও নয়, বরং পরিপূরক।

মহাযানপূর্বে বৌদ্ধের নিকায়ভেদ
নির্বাচিত সৃষ্টি ধারাবাহিক 16 মিনিট পাঠ
03 / 05

মহাযানপূর্বে বৌদ্ধের নিকায়ভেদ

এই পর্বে বৌদ্ধ নিকায়ভেদের ইতিহাস, সর্বাস্তিবাদ-বিভাজ্যবাদের মতপার্থক্য এবং স্থবির-মহাসাঙ্ঘিক বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে মহাযানের উত্থান ও স্বতন্ত্র বোধিসত্ত্বচর্যার আদর্শ।

বৌদ্ধ মন্ত্রনয় কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
নির্বাচিত সৃষ্টি ধারাবাহিক 11 মিনিট পাঠ
04 / 05

বৌদ্ধ মন্ত্রনয় কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ

বুদ্ধধর্মে মন্ত্র, দেবতা ও তন্ত্রের উপাদান কি কেবল পরবর্তী সংযোজন? প্রাচীন বৌদ্ধশাস্ত্র ও বৈদিক মন্ত্রদর্শনের আলোয় জানুন মহাযান-বজ্রযানের উৎপত্তি, বিবর্তন ও গূঢ় অধ্যাত্মের ইতিহাস।

টার্মিনেটার ও একটি গ্রহের বিপন্নতা (পর্ব ৪)
নির্বাচিত সৃষ্টি ধারাবাহিক 4 মিনিট পাঠ
05 / 05

টার্মিনেটার ও একটি গ্রহের বিপন্নতা (পর্ব ৪)

বৃদ্ধির এই বাধ্যবাধকতা কি নৈসর্গিক? জীবনের শাশ্বত প্রয়োজন? নাকি পুঁজিতান্ত্রিক ব্যবস্থার মৌলিক প্রয়োজন? বৃদ্ধির এই দর্শনকে আমরা মেনে নিয়েছি একমাত্র নিরন্তর প্রচারের ফলে, এবং নিজেদের চিন্তাশক্তির দুর্বলতা হেতু। ব্যবস্থা যারা চালায়, প্রচার...

EDITOR'S PICK

সম্পাদকের পছন্দ

সকল রচনা →
TOP 10

পাঠকের পছন্দ

সকল রচনা →
LATEST

সাম্প্রতিক লেখা

সকল সাম্প্রতিক রচনা →
EPISODIC

ধারাবাহিক আখ্যান ও উপন্যাস

ধারাবাহিক · উপন্যাস

বৌদ্ধ মন্ত্রনয় ধারা: মহাযান-বজ্রযানের উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ

রচয়িতা: Koyel Bhattacharya

বুদ্ধধর্মে মন্ত্র, দেবতা ও তন্ত্রের উপাদান কি কেবল পরবর্তী সংযোজন? প্রাচীন বৌদ্ধশাস্ত্র ও বৈদিক মন্ত্রদর্শনের আলোয় জানুন মহাযান-বজ্রযানের উৎপত্তি, বিবর্তন ও গূঢ় অধ্যাত্মের ইতিহাস।

পর্বভিত্তিক সূচি 4টি পর্ব
ধারাবাহিক · উপন্যাস

টার্মিনেটার ও একটি গ্রহের বিপন্নতা

রচয়িতা: Debashish tarafdar

এই টার্মিনেটারকে তার স্বরূপে সর্বদা সবাই দেখতে পায় না। তার কলকব্জা নিয়ে জটিল আলোচনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সভায়, সেমিনারে হতেই পারে, কিন্তু আমি বিশেষজ্ঞ নই, শুধুমাত্র একজন দৃষ্টিক্ষম মানুষ, আমি যা দেখতে পাচ্ছি তা দেখাতে চাই। এটা আমার তাত্ত্বিক প্রকল্প নয়, নিছক মতাদর্শ নয়, বাঁচা-মরার বিষয়।

পর্বভিত্তিক সূচি 4টি পর্ব

প্রিয় উদ্ধৃতি

ধারাবাহিক
“দুঃখ যদি ভবিষ্যতে পথ্য হয়ে নিজের ও দশের হিত সাধন করে, তবে সে দুঃখের‌ও সাধনা করা উচিত। সামান্য সুখ ত্যাগ করলে যদি পরমার্থসুখ লব্ধ হয়, তবে সেই পরমার্থসুখের কথা বিবেচনা করে জ্ঞানী ব্যক্তি সামান্য সুখ ত্যাগে কুণ্ঠিত হন না।”
ধারাবাহিক
“সংসারপ্রকৃতিই সেই সদ্, অসদ্, সদসদ্, অসদসদ্ চতুষ্কোটি-বিনির্মুক্ত প্রজ্ঞা যাঁকে জানার জন্য সম্যকসম্বুদ্ধ বারম্বার বোধিসত্ত্বশরীর ধারণ করেছেন। বোধিসত্ত্বের মার্গ এড়িয়ে গিয়ে শ্রাবক স্তরের জ্ঞান দিয়ে অনুত্তর সমাধিলাভের চেষ্টা গবেষণাগারে না ঢুকে শুধু ব‌ই মুখস্থ করে স্বল্পশ্রমে বিজ্ঞানী হতে চাওয়ার মতো।”
ধারাবাহিক
“মহাবিভাষার প্রথম দিকের চীনা অনুবাদগুলিতে নাগ, প্রত্যয় ও বহুশ্রুত নামে তিন ভিক্ষুকে মহাসাঙ্ঘিক মতের প্রচারক বলা হয়েছে। অশ্বঘোষ বহুশ্রুতীয় শাখার অনুসারী ছিলেন। নাগার্জুন হিমালয়ে জনৈক নাগ বোধিসত্ত্বের কাছে মহাযানী শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন বলে কুমারজীব অনূদিত জীবনীতে উল্লেখ মেলে। মহাবিভাষার এই গল্প দসবত্থুনির তুলনায় অধিকতর নির্ভুল মনে হয়। মহাযানের উত্থান বাস্তবিক‌ই অর্হতমার্গের বিপরীতে হয়েছিল।”
ধারাবাহিক
“তাইশো ক্যাননে প্রণব ও স্বাহা-যুক্ত মন্ত্রসম্বলিত পূর্ণাঙ্গ মহামায়ূরী বিদ্যারাজ্ঞী সূত্র মেলে। কল্যাণকামধেনু সাধনায় নাগার্জুন বলেছেন, শাস্ত্রে যদি উল্লেখ নাও থাকে, মন্ত্রের শুরুতে প্রণব-যুক্তি ও শেষে স্বাহা-যুক্তি বাধ্যতামূলক।”
ধারাবাহিক
“আধুনিক কর্পোরেশন একটি যন্ত্র, তার নির্দিষ্ট পরিচালক নেই, লোক আসছে যাচ্ছে, ভূগোল নেই, কারণ পুঁজি এক সেকেণ্ডে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। এটি একটি বিমূর্ত ব্যবস্থা, মনুষাকৃত অবশ্যই, তাকে আইনী সত্তা মানুষই দিয়েছে। কিন্তু যন্ত্র। অন্ধ যন্ত্র।”
ধারাবাহিক
“অবিরত বৃদ্ধিই পুঁজিতন্ত্রের চালিকা নিয়ম, এটা কোন ব্যক্তির ইচ্ছা বা অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে না, এটা এমন একটি ব্যবসা, যেখানে এগোতে হয় নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়, বাঁচতে হলে ছুটতে হয়, না ছুটলে মৃত্যু”
ধারাবাহিক
“কিন্তু পাঠক, আপনার ব্যক্তিজীবনও কি সত্যিই আগুনের আঁচ থেকে মুক্ত? শুধুমাত্র আর্থিক লাভালাভকে কেন্দ্র ক'রে ক্রমশ আপনার জীবন আবর্তিত হচ্ছে, শুধুমাত্র বেচাকেনাকে কেন্দ্র ক'রে আপনার পরিবেশ আবর্তিত হচ্ছে, এখানে সুন্দর-অসুন্দর ভাল-মন্দ প্রেম-অপ্রেম ক্রমশ অর্থহীন, আনন্দ বিস্মৃত, শান্তি বিস্তৃত, শুধুমাত্র টিকে থাকতে আপনি ছুটছেন। ছুটছেন, কারণ সবাই ছুটছে, নইলে পিছিয়ে পড়বেন। এই জীবন কি মনোরোগীর জীবন নয়?”
ধারাবাহিক
“এই টার্মিনেটারকে তার স্বরূপে সর্বদা সবাই দেখতে পায় না। তার কলকব্জা নিয়ে জটিল আলোচনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সভায়, সেমিনারে হতেই পারে, কিন্তু আমি বিশেষজ্ঞ নই, শুধুমাত্র একজন দৃষ্টিক্ষম মানুষ, আমি যা দেখতে পাচ্ছি তা দেখাতে চাই। এটা আমার তাত্ত্বিক প্রকল্প নয়, নিছক মতাদর্শ নয়, বাঁচা-মরার বিষয়।”
সমালোচনা
“ধ্যানের মধ্যে যদি কোনও মানুষ তারই নিজস্ব দেহকে মৃতদেহ হিসাবে নিজেরই সামনে পড়ে থাকতে দ্যাখে, তখন সেই অনুভূতিকে মৃত্যুচেতনা নয়, মৃত্যু সচেতনতার দৃশ্যরূপ বলা যেতে পারে। ঋক এই বইয়ের কিছু কবিতায় সেই দৃশ্যরূপ আঁকেন শুধু নীরস দার্শনিকতা বা কোনও মায়ামৃদঙ্গের সাহায্যে নয়। মফসসলের স্থিতি জাড্য থেকে বহির্মুখী বিচরণের ছায়াচরাচর, আশ্চর্য শ্লেষ, স্মৃতিচারণ, সমাজমনস্কতা বা বলা যায় সমসাময়িক প্রবণতার ভিতরে দাঁড়িয়ে ঐতিহ্য ও ভারতীয়ত্বের প্রতি হেলে পড়তে গিয়েও কলোনিয়াল হ্যাংওভারের মুখোমুখি দাঁড়ানো—সমস্তই ঋকের কবিতার আদ্যাশক্তি ও মহামায়া।”
গল্প
“আমরা থাকব, চুল পেকে যাবে, স্মৃতি হারিয়ে ফেলব। ভয়ে লজ্জায় যেমন বহু মানুষ সারা জীবন কাটিয়ে একদিন পরপারে অস্ত যায়...”
ভ্রমণ
““পঞ্চপ্রয়াগ দেখে তো ফিরলেন কিন্তু কেবলমাত্র দুটো বা ততোধিক নদীর সঙ্গম ছাড়াও ‘প্রয়াগ’ কথাটার একটা গভীর অর্থ আছে, সেটা জানেন কি”? প্রশ্ন করলেন সৌম্যদর্শন এক ব্যাক্তি যিনি আমাদের কথা শুনছিলেন। চমকে উঠে তাকাতে জানলাম উনি বাঙালি নন কিন্তু বেশ কয়েক বছর বাংলায় ছিলেন তাই এই মিষ্টি ভাষাকে ভোলেননি। পবিত্র নদীদের সঙ্গমে যজ্ঞ অনুষ্ঠানের প্রকৃতস্থান হল প্রয়াগ বলাতে স্মিত হেসে মাথা নেড়ে বললেন –‘ঠিক; তবে সেটা প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমের কথা, পুরাণের জগতপিতা ব্রহ্মার যজ্ঞবেদীস্থল’।”
LONG READS

দীর্ঘ পাঠ ও গভীর অনুধ্যান

সকল দীর্ঘ পাঠ →

সাক্ষাৎকার

সব সাক্ষাৎকার →

সমালোচনা

সব সমালোচনা →

যাঁদের কলমে আনুপূর্বী

সকল লেখক ও রচনা →
লেখক ও অনুবাদকদের জন্য

আনুপূর্বীতে লেখা পাঠান

গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, অনুবাদ, সাহিত্যসমালোচনা ও অন্যান্য সৃজনশীল লেখা প্রকাশের জন্য আনুপূর্বীতে পাঠাতে পারেন। আপনার লেখা পাঠানোর আগে জমা দেওয়ার নিয়মাবলি দেখে নিন।

লেখা পাঠান → জমা দেওয়ার নিয়মাবলি

লেখা পাঠানোর আগে

  • লেখাটি আপনার নিজস্ব হতে হবে।
  • আগে কোথাও প্রকাশিত হয়ে থাকলে সে কথা আমাদের জানান।
  • বাংলা লেখা ইউনিকোডে টাইপ করে Word (.docx) ফাইলে পাঠান।
  • লেখার সঙ্গে নিজের নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও যোগাযোগের ইমেল ঠিকানা দিন।
  • প্রকাশনা ও কপিরাইট সংক্রান্ত শর্তগুলি পড়ে নিন।