বিদ্যাং দেহি নমোऽস্তুতে
একটি গ্রামীণ জীবনের আবহে সরস্বতী পুজোর দিনকে কেন্দ্র করে দুই দাবাপ্রেমী—শান্তিরঞ্জন ও মহেশ্বরের—অভিমান, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পরাজয় ও আত্মোপলব্ধির কাহিনি। মাছ ভাগাভাগি নিয়ে সামান্য বিরোধের আড়ালে উঠে আসে আগের রাতের দাবার আসরের অপমান ও পরাজয়ের স্মৃতি। প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষায় শান্তিরঞ্জন নিজেকে দাবায় আরও দক্ষ করে তুললেও শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারে, প্রকৃত জয় প্রতিপক্ষকে হারানো নয়, নিজের অহং, ক্রোধ ও অভিমানের ওপর জয়লাভ। গ্রামীণ লোকাচার, পুকুরকেন্দ্রিক জীবন ও দাবার প্রতীকী ব্যবহারের মধ্য দিয়ে গল্পটি ক্ষমা, বিনয় ও আত্মজয়ের একটি মানবিক আখ্যান হয়ে ওঠে।